১২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে স্থিতিশীলতা ফিরেছে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত সময় ০৬:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন

বিশ্বের যে কোনো দেশেই বিপ্লব পরর্বর্তী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয় স্থিতিশীলতা ফেরানো। এ স্থিতিশীলতা ফেরাতে অনেক দেশে বছরের পর বছর সময় লেগেছে। এসেছে একাধিক সরকার। কিন্তু আমরা, বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে মোটামুটি স্থিতিশীলতায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই ভয়াবহ ছিল, সার কেনার মতো ডলার ছিল না। বর্তমানে সে অবস্থা কাটিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিদেশিদের যে সব দায়-দেনা ছিল, সবগুলো পরিশোধ হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল, দেশে স্থিতিশীল ফেরানো, রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই গণ-হত্যায় জড়িতদের বিচার এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণ। সে লক্ষ্যে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন। তার মতে-আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার ক্ষেত্রে আর্ন্তজাতিক কোনো চাপ নেই। আর প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত সময়ের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে। এক্ষেত্রে একদিনও দেরি হবে না। তিনি বলেন, এটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো নির্বাচন হবে। এ ছাড়াও দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মনির হোসেন

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

Demo Two

বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে স্থিতিশীলতা ফিরেছে

প্রকাশিত সময় ০৬:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের যে কোনো দেশেই বিপ্লব পরর্বর্তী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয় স্থিতিশীলতা ফেরানো। এ স্থিতিশীলতা ফেরাতে অনেক দেশে বছরের পর বছর সময় লেগেছে। এসেছে একাধিক সরকার। কিন্তু আমরা, বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে মোটামুটি স্থিতিশীলতায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই ভয়াবহ ছিল, সার কেনার মতো ডলার ছিল না। বর্তমানে সে অবস্থা কাটিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিদেশিদের যে সব দায়-দেনা ছিল, সবগুলো পরিশোধ হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল, দেশে স্থিতিশীল ফেরানো, রাষ্ট্র সংস্কার, জুলাই গণ-হত্যায় জড়িতদের বিচার এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণ। সে লক্ষ্যে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব কথা বলেন। তার মতে-আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার ক্ষেত্রে আর্ন্তজাতিক কোনো চাপ নেই। আর প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত সময়ের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে। এক্ষেত্রে একদিনও দেরি হবে না। তিনি বলেন, এটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো নির্বাচন হবে। এ ছাড়াও দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মনির হোসেন